বিএনপির বাজেটের ইতিহাস: জিয়াউর রহমান থেকে তারেক রহমান

বাংলাদেশের জাতীয় বাজেটের ইতিহাসে জিয়াউর রহমান থেকে তারেক রহমানের শাসনামল পর্যন্ত অর্থনীতির আকার, কাঠামোগত সংস্কার এবং উন্নয়ন দর্শনে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে।

শেয়ার

বাংলাদেশের জাতীয় বাজেটের ইতিহাসে জিয়াউর রহমান থেকে তারেক রহমানের শাসনামল পর্যন্ত অর্থনীতির আকার, কাঠামোগত সংস্কার এবং উন্নয়ন দর্শনে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। জিয়াউর রহমানের মুক্তবাজার অর্থনীতির সূচনা থেকে শুরু করে বর্তমান সরকারের আধুনিক জনকল্যাণমুখী অর্থনৈতিক পরিকল্পনা এই ধারাবাহিকতারই প্রতিফলন।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান: স্বনির্ভর অর্থনীতির অঙ্গীকার

উদ্যোগ: ১৯৭০-এর দশকের শেষভাগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশে মুক্তবাজার অর্থনীতি ও স্বনির্ভর অর্থনীতির ধারণা চালু করেন।

লক্ষ্য: বিদেশী সহায়তার ওপর নির্ভরতা কমিয়ে কৃষি, পল্লী উন্নয়ন ও উৎপাদনশীল খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। খাল কাটা কর্মসূচি ও গণমুখী উন্নয়নের মাধ্যমে জিডিপি প্রবৃদ্ধির ভিত্তি স্থাপন করা হয়।

দেশনেত্রী খালেদা জিয়া ও এম সাইফুর রহমান: সংস্কার ও রূপান্তর

এম সাইফুর রহমানের রেকর্ড: সাবেক অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমান দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ১২টি বাজেট পেশ করার অনন্য রেকর্ড গড়েন।

৯১-এর বাজেট (মূসক প্রবর্তন): ১৯৯১ সালে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন সরকার মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট (VAT) চালু করে, যা বাংলাদেশের কর ব্যবস্থায় একটি যুগান্তকারী সংস্কার ছিল।

সামাজিক নিরাপত্তা: এই আমলেই প্রথমবারের মতো বয়স্ক ভাতা ও বিধবা ভাতার মতো সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচির বিস্তৃতি ঘটে।

তারেক রহমান: আধুনিকায়ন ও স্বাস্থ্য-শিক্ষাখাতে অগ্রাধিকারঅর্থনৈতিক রূপকল্প: বর্তমান প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের লক্ষ্য হলো বিনিয়োগ বৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি।সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার: তারেক রহমানের সরকার স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও প্রযুক্তিখাতকে উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে নির্ধারণ করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় দেশের স্বাস্থ্যখাতে ইতিহাসের সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।